শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

মহালছড়িতে গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ঈদ উপহার

৪৩

॥ মিল্টন চাকমা, মহালছড়ি ॥

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দিয়েছেন সেনাবাহিনী। ২৪ এপ্রিল রোববার সকালে শান্তি, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণের কর্মসূচী হাতে নিয়েছে মহালছড়ি সেনা জোন।

মাইসছড়ি ইউনিয়নের মানিকছড়ি মুসলিম পাড়া বর্ণমালা আইডিয়াল স্কুল মাঠে ঈদ উপহার হিসেবে (চাল, ডাল, সয়াবিন তৈল, আটা, চিনি, সেমাই ও লবন) ৩ শতাধিক পরিবারের মাঝে প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি জোনের জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন, পিএসসি, জোন উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ আবু ফয়সাল তুষার, পিএসসি এবং রিজিয়ন সদর দপ্তর ও মহালছড়ি জোন সদরের স্টাফ অফিসারগণ সহ মাইসছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাজাই মারমা ও ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার রিগেন চাকমাসহ এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ।

প্রধান অতিথি বলেন, খাগড়াছড়ি রিজিয়ন সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সাহায্য ও সহযোগিতা করে আসছে। সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য সেনাবাহিনীর এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। ভবিষ্যতেও খাগড়াছড়ি রিজিয়নের পক্ষ থেকে এরুপ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সেনাবাহিনীর এ ধরণের কার্যক্রম গ্রহণের ফলে সাধারণ মানুষের রিজিয়নের প্রতি তথাপি সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতি সাধিত হচ্ছে বলেও তিনি অভিমত ব্যাক্ত করেন। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এই সহায়তার সুবিধাভোগী হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সচেতন নাগরিক সমাজ সকলেই এই কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।