শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

দীঘিনালায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

৪২

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাইনী নদী ধেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা ও বালু পরিবহন কাজে নিয়জিত তিন চালককে ৫শ টাকা করে ১৫শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার কবাখালীর হাচিনসনপুর এলাকায় মাইনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেট ফাহমিদা মুস্তফা। এ সময় মাইনী বালুমহালের নুর হোসেনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি তিন বালু পরিবহন চালককে ৫’শ টাকা করে ১৫’শ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ওই স্থান থেকে উত্তোলিত বালু জব্দ করে কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা’র জিম্মায় রাখা হয়। যা পরবর্তীতে চেয়ারম্যান’র মাধ্যমে নিলামে বিক্রি করা হবে।

অবৈধ বালু কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়ে দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ফাহমিদা মুস্তফা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে একটি মহল অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে ব্যবসা করে আসছিলেন এমন অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাঁর বালু উত্তোলনযন্ত্রটি জব্দ করা হয়। অপরাধ স্বীকার করায় তাঁকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে নগদ এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অপর তিনটি মামলায় পাঁচ’শ টাকা করে পনের’শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ফাহমিদা মুস্তফা আরও বলেন, উপজেলার কোথাও অবৈধ উপায়ে খননযন্ত্রের সাহায্যে মাটি বা বালু উত্তোলন করে কেউ বিক্রি করতে পারবেন না। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।