শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

মানিকছড়িতে কৃষি উপকরণ বিতরন ও এডভোকেসী এন্ড নেটওয়ার্কিং ফোরাম গঠন

৪৪

॥ মানিকছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥

মানিকছড়িতে কারিতাস সিপিপি পিএইপি-২ প্রকল্পের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন পাড়া পর্যায়ের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ৯০ জন কৃষান-কৃষানীর মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরন এবং উপজেলা পর্যায়ে এডভোকেসী এন্ড নেটওয়ার্কিং ফোরাম গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলা কৃষি অফিস সম্মেলন কক্ষে উপজেলা পর্যায়ে এডভোকেসী এন্ড নেটওর্য়াকিং ফোরামে উপজেলার ২৬টি পাড়া থেকে ৩০জন সদস্যসহ এসটিএগন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফোরাম গঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা ও সদস্যদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন মাঠ কর্মকর্তা মোঃ সোলায়মান। সভায় ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরে প্রকল্পের উপকারভোগী জৈব কৃষি সদস্যদের মাঝে গ্রীষ্মকালীন সবজি বীজ (বরবটি ১৯ কেজি, মিষ্টি কুমড়া ৪ কেজি, কলমীশাক ১ কেজি, পুঁইশাক ২ কেজি ১৯০ গ্রাম, তিতকরলা ১ কেজি, ঝিঙ্গা ৩ কেজি ২০০ গ্রাম) বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ১ হাজার কেজি ৫শ গ্রাম আদা বীজ বিরতনের পাশাপাশি ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনের জন্য ১৮০টি সিমেন্ট রিং, ১৫ হাজার ৫শ ৪টি কোঁচো বিতরণ করা হয়েছে।

বিতরনকালে সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অনুপম বড়ুয়া, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ ইউনুছ নুর, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জুয়েল মনি পাল, মানিকছড়ি উপজেলার সিপিপি পিএইপি-২ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা মোঃ সোলায়মানসহ মাঠ সহায়কগণ উপস্থিত ছিলেন ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ফেয়ার ইকোলজিক্যাল ট্রানজিশন বাস্তবায়নে কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির কোন বিকল্প নেই। জৈব প্রযুক্তি ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। তাছাড়া প্রাপ্ত উপকরণ কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে কিভাবে লাভবান হওয়া যায় সে বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করনে। রাসায়নিক সারের ব্যবহারের পরিবর্তে জৈব সারের ব্যবহারের বৃদ্ধি করতে হবে। যাতে জমির প্রাণ রক্ষা পায় এবং মাটির উর্বরতা শক্তি ধরে রাখা যায়।