শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মানিকছড়িতে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

৭৬

॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মানিকছড়ি ॥

গত ৩০ জানুয়ারি গভীর রাতে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের গুগড়াছড়ি ধর্মসু বৌদ্ধ বিহারের ভেতরে ভিক্ষু বিশুদ্ধ মহাথেরুকে খুনের ঘটনা ঘটে। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার লক্ষে মানিকছড়ি উপজেলার মসজিদ, মন্দির, ক্যায়াং, ইমাম, পুরাহিত, ভান্তেসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সম্পাদক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে নিয়ে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভার আয়োজন করেন উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় উপজেলা টাউন হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভা.প্র) রুম্পা ঘোষ’র সভাপতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন। অতিথি ছিলেন, থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ইলিয়াস হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুর রহমান ফারুক, ক্যয়জরী মহাজন, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি সজল বরণ সেন, তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা দুপ্রক সভাপতি মোঃ আতিউল ইসলাম প্রমূখ।

যোগ্যাছোলা জেতবন বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মারমা ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের যুগ্ন-আহ্বায়ক অংশেপ্রু মারমা, রাঙ্গাপানি সার্বজনিন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপজেলা ভিক্ষু সমিতির যুগ্ন-সম্পাদক উসারা ভিক্ষু, উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত মডেল কেয়ারটেকার মাওলানা মোঃ আবুল কাশেম।

বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। পাহাড় বা সমতল কোথাও কোন জাতি বা গোত্রকে সংখ্যালঘু হিসেবে বিবেচনা না করে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রশাসন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে ইর্ষান্নিত হয়েই একটি কুচক্রি মহল পাহাড়ে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। এছাড়াও কোন গুজবে কান না দিয়ে যে কোন ঘটনা জানা-শোনার পর প্রশাসনকে অবহিত করে ঐক্যবদ্ধভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করারও আহব্বান জানান। তাছাড়া এই দেশের নাগরিক হিসেবে সবারই নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সভায় ভান্তের এই নির্মম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানানো হয়।