শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

লামায় প্রবাসীর গর্ভবতী স্ত্রীকে ‘ধর্ষণ’ বসতবাড়িতে লুটপাট

৯২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥

বান্দরবানের লামায় দুই শিশু সন্তানকে ঘরে তালাবদ্ধ করে এক প্রবাসীর গর্ভবতী স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ, মারধর ও বসতবাড়িতে লুটপাট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি লামা থানায় অভিযোগ করা হয়।

রূপসীপাড়া ইউনিয়নের মেম্বার আবু তাহের বলেন, বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। পরিবাবারিক দ্বন্দ ও জায়গা জমির বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা কিনা তার খতিয়ে দেখা দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এলাকাবাসী জানায়, পার্শ্ববর্তী এক মহিলা সকালে প্রবাসীর বাড়ির পাশে টিউবওয়েলে পানি আনতে যায়। তখন প্রবাসীর বাড়ির জানালা দিয়ে দুই শিশুকে কান্না করতে দেখে তিনি এগিয়ে যান। পরে বাড়ির পিছনে উঠানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রীকে দেখলে তিনি ডাকাডাকি করলে স্বজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন।

 

ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘরে প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দুই শিশু ছিল। রাত দুইটার দিকে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হলে দুর্বৃত্তরা মুখ চেপে ধরে ভিকটিমের। এসময় তার দুই শিশুকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। পরে ভিকটিমকে ধর্ষণ, রাতভর নির্যাতন ও মারধর করা হয়। দুর্বৃত্তরা বাড়ির আলমারি, ওয়ারড্রব ও শোকেস ভেঙ্গে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও নিয়ে যায়।

লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোল্লা রমিজ জাহান জুম্মা বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় রশি কেটে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাকে প্রথমে লামা হাসপাতাল ও পরে জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অপরাধীদের ছাড় দেয়া হবে না। পুলিশ তদন্ত করছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে৷