শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে অনুষ্ঠিত হলো ৪৮তম কঠিন চীবর দান

বিশ্ব শান্তি প্যাগোডার নির্মাণে প্রকল্প গ্রহন এটিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র অনন্য অবদান

৬৯

॥ মিলটন বড়ুয়া ॥

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ নানান উন্নয়নে তাঁর অবদান স্মরনীয়। বিশ্ব শান্তি প্যাগোডার নির্মাণে ১ কোটি বিশ লক্ষ টাকার প্রকল্প গ্রহন করেছে উন্নয়ন বোর্ড। পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তাঁর ইচ্ছের প্রকাশ ঘটাতে পেরেছি। সকল প্রাণীর সুখ শান্তি কামনা করে রাঙ্গামটি রাজ বন বিহারের ৪৮ তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান-২১ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা এ কথা বলেন।

রাঙ্গামাটির রাজবন বিহার উপাসক উপাসিকা পরিষদের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গৌতম দেওয়ান এর সভাপতিত্বে এ দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, এছাড়াও সম্মানীত অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু মারমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপ-মন্ত্রী মনিস্বপন দেওয়ান সহ গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বচল কাপড় বুনন অনুষ্ঠান না হলেও দুর পাল্লার ধর্মপ্রাণ মানুষ বিহারে আগের দিন থেকেই জড়ো হন। অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিহার এলাকার প্রদান সড়ক এ নানান পন্যের পসরা নিয়ে মেলা বসে। এতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের পাশাপাশি মানুষ নিজেদের পছন্দনীয় জিনিস পত্র ক্রয় করেন সেই সাথে সকলেই অনন্দ উপভোগ করেন। মহামারি করোনা-১৯ ভাইরাস এর কারনে বিগত দুটি বছর বিহারে বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হয় নি। এবার করোনার বিষয়ে সরকার কিছুটা সিঁথিল করলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ বিহারে আসেন এবং ধর্মীয় নানান অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন।

রাজবন বিহার উপাসক উপাসিকা পরিষদ জানিয়েছেন, ৪৮ তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান-২১ উপলক্ষে সকালের প্রথম পর্বের ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ করার পর বিকালে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে সকল প্রাণীর সুখ ও শান্তি কামনায় ধর্মীয় সমবেত সুত্রপাঠ সহ মঙ্গলাচারণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাজ বন বিহারের আবাসিক প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মাহস্থবীর সহ ভিক্ষু সংঘকে চীবর দানের মধ্য দিয়ে মহৎ এ দান অনুষ্ঠান শেষ হয়।

অপর দিকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ নানান উন্নয়নে তাঁর অবদান স্মরনীয়। রাজ বন বিহারে বিশ্ব শান্তি প্যাগোডার নির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ১ কোটি বিশ লক্ষ টাকার প্রকল্প গ্রহন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র অনন্য অবদান যা আমি চেয়াম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তাঁর ইচ্ছের প্রকাশ ঘটাতে পেরেছি। রাজ বন বিহারে বিশ্ব শান্তি প্যাগোডার নির্মাণে অংশ গ্রহন করতে পেরেছি।

এ পূর্ণ্যানুষ্ঠানে গত শুক্রবার রাজ বন বিহার এলাকায় হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটে। প্রতি বছর বিহারে দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান হয়ে আসলেও এবার মহামারী করোনার কারনে বিহারে কাপড় (চীবর) বুনন অনুষ্ঠান করা হয় নি।