শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদান

রাজস্থলীতে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

৫৩

॥ রাজস্থলী উপজেলা প্রতিনিধি ॥

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ নির্বাহী অফিসারের কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শান্তনু কুমার দাশের সভাপতিত্বে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’-২০২১ উপলক্ষে “সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যুর পরপরই নিবন্ধন” এই প্রতিপাদ্যের আলোকে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী উপজেলা চেয়ারম্যান উবাচ মারমা,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা ভাইস চেযারম্যান অংনুচিং মারমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উসচিন মারমা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফজল আহমদ খান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন ইউপি মেম্বার চেয়ারম্যান গণমাধ্যম কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান উবাচ মারমা বলেন, কোন শিশু জন্ম গ্রহণ করলে তার জন্ম তারিখ সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে জন্ম নিবন্ধন করতে হবে এবং অবশ্যই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৪৫ দিনের মধ্যে শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। জন্ম নিবন্ধন করা যতটা জরুরী ঠিক তেমনি মৃত্যু নিবন্ধন করা ততটাই জরুরী। তাই কোন মানুষ মৃত্যুবরণ করলে অবশ্যই তাহার মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে।

বক্তরা আরো বলেন, তথ্য কেন্দ্রগুলোতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে যাওয়া জনগণের হয়রানি স্বীকার হয়। ফলে জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে বয়স কমানো বা বাড়ানোর প্রবণতা রোধে তথ্যকেন্দ্র বা ইউনিয়ন পরিষদে স্কুলগুলোর প্রতিটি শিক্ষার্থীর বয়স উল্লেখিত সত্যায়িত একটি তালিকা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।