শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদান

থানচিতে বন্যা প্লাবিত পাড়ায় ফিরছে মানুষ

১০৭

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥

বান্দরবানে পাহাড়ে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে থানচি উপজেলা নিম্নাঞ্চলে বন্যা প্লাবিত কবলিত পড়ার পরিবারের মানুষরা। অক্ষত বাড়িঘরে স্বাভাবিক জীবন ফিরতে শুরু করেছে তারা। উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণে বুধ- বৃহস্পতিবার দুই দিনের সরকারের আশ্রয়কেন্দ্র আশ্রয় নেয় অনেক পরিবার। বর্ষণ থেমে যাওয়ার শুক্রবার বিকাল থেকে নিজ গ্রামের ফিরে অক্ষত বাড়িঘরে জীবন-যাপন করতে শুরু করছে আশ্রিত পরিবারগুলো। বান্দরবান থানচি সড়কে যানচলাচল যোগাযোগের স্বাভাবিক হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সাঙ্গু নদীর উজানে থানচি পয়েন্টে পানির উচ্চতা প্রায় ২০ ফুট নেমে গেছে। বিপৎসীমায় অনেক নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে উপজেলা বলিপাড়া ইউনিয়নের বাগান পাড়া ও হিন্দু পাড়াসহ আশেপাশে ভারী বর্ষণে নিম্নাঞ্চলে এলাকার। তবে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত থানচি সদরে সাথে দুর্গম তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের নৌ যোগাযোগ বন্ধ আছে। পুরো স্বাভাবিক অবস্থা ফিরতে আরো দুই-এক দিন সময় প্রয়োজন হতে পারে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লামং জানান, গত শুক্রবার দুপুরে থেকে টানা ভারী বৃষ্টির কমে যায়। এতে সাঙ্গু নদীর উজানে ও নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যা পানি কমতে শুরু করে পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় স্বাভাবিক অবস্থা গ্রামের ফিরেছে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল বসবাস পরিবারগুলো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউল গনি ওসমানী জানান, গত ৩ দিনের বলিপাড়া ইউনিয়নের বাগান পাড়া, হিন্দু পাড়া ও উপজেলা বিভিন্ন স্থানে নিম্নাঞ্চলে ভারী বর্ষণে বন্যা প্লাবিত হয়। তবে উপজেলা কোথাও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেনি।

তিনি আরো বলেন, উপজেলার ৪টি মধ্যে ২টি সরকারে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার ৮২ পরিবারকে শুকনো খাবার, মশার কয়েল, তেল, লবণ, মোমবাতি, মুড়ি, চিড়া, খিচুড়িসহ খাদ্য সামগ্রী সহায়তা দিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানান তিনি।