[vc_row][vc_column css=”.vc_custom_1596871563159{margin-bottom: 0px !important;}”][vc_column_text css=”.vc_custom_1596874329023{padding-top: -30px !important;}”]

শিরোনাম
কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবসে নবনন্দন সঙ্গীতালয়ের নজরুলসঙ্গীত সন্ধ্যাবিএনপি নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছেরাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি নেতা বটন মল্লিক বহিষ্কাররাঙ্গামাটিতে সেনা সদস্যদের অভিযানে ভারতীয় সিগারেট জব্দউৎসাহ উদ্দীপনায় রাঙ্গামাটিস্থ বলাকা ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিতরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িস্থ বটতলী-উগলছড়ি সড়ক পানিতে তলিয়ে আছেদীঘিনালায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম এর দাফনরাঙ্গামাটিতে হাজারো মানুষের আনন্দ উল্লাসে জশনে জুলুস পালিতরাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি সাংগঠনিকভাবে সুশৃঙ্খল, নির্বাচনে বিজয় আমাদের ঘরে দেবেখাগড়াছড়ির রামগড়ে ৪৩ বিজিবি’র মানবিক সহায়তা প্রদান
[/vc_column_text][/vc_column][/vc_row]

বান্দরবানে যক্ষা নিরোধ কমিটির মতবিনিময় সভা

৯৮

॥ আকাশ মারমা মংসিং,বান্দরবান ॥

বান্দরবানে যক্ষা নিরোধ কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ জুন) দুপুরে বান্দরবান জেলায় কর্মরত বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে নাফাখুম রেস্টুরেন্ট হল প্রাঙ্গণে যক্ষা নিরোধ কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বাংলাদেশ যক্ষা নিরোধ কমিটি বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি সিং ইয়ং ম্রো বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা, অংসুই প্রু মারমা, ডাক্তার আলমগীর হোসেন, সদর হাসপাতাল মেডিকেল কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নাটাবের কো-অডিনেটর মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, বান্দরবান জেলা যক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোমেন চৌধুরী সহ সরকারি বেসরকারি অফিসার ও গণমাধ্যম কর্মী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, যক্ষা একটি প্রাণঘাতীক রোগ,সাধারণত বদ্ধ, স্যাঁতস্যাঁতে, ঘনবসতিপূর্ণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝেই যক্ষা বা টিবি রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। যক্ষা বা টিবির জীবাণুর সংক্রামণ বৈশিষ্ট্যের কারণেই এমনটি হয়। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতার মাত্রা কম থাকায় এ রোগের বিভিন্ন লক্ষণ বা উপসর্গ ধাপকে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর সিংহভাগেরই তেমন ভালো কোনো ধারণা নেই।

বক্তারা আরো বলেন, মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবার কিউলোসিস নামের এক ধরনের জীবাণু থেকে এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত রোগীর কফ থেকে এ রোগের জীবাণু একজনের দেহ থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। এ রোগের কোন নির্দিষ্ট সুপ্ত কাল নেই। যেসব রোগী ৩ সপ্তাহের বেশি জ্বরে ভোগে তাদের ৩৩ শতাংশ যক্ষায় আক্রান্ত হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে। যাদের কাছ থেকে যক্ষা রোগ ছড়াতে পারে তাদের বলা হয় ওপেন কেস। এদের কফ থেকে সব সময় জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। তাই এদের সাথে চলাফেরা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।