শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভা

৯০

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায় প্রতিরোধে সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পড়তে হবে, ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা।
বুধবার (১৮ নভেম্বর) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিষদ চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আগাম প্রস্তুতি হিসাবে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে ৫০টি বেডে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে হাইফ্লো অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন এবং ৫ উপজেলায় ৫টি ওয়াটার এ্যাম্বুলেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।

পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম এর পরিচালনায় জেলা পরিষদের এনেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অংসুই প্রু চৌধুরী, সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর, সদস্য অমিত চাকমা রাজু, সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, সদস্য সান্তনা চাকমা, সদস্য থোয়াই চিং মারমা, সদস্য সাধন মনি চাকমা, সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, সদস্য ত্রিদীব কান্তি দাশ, সদস্য মনোয়ারা আক্তার জাহান, স্বাস্থ্য বিভাগের সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাশ খীসা, পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী বিরল বড়ুয়া, জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা এবং হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা মোঃ খোরশেদুল আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাশ খীসা রাঙ্গামাটি জেলার করোনা পরিস্থিতির উপর সংক্ষিপ্ত বিবরণ সভায় উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন রাঙ্গামাটিতে সর্বশেষ (১৮ নভেম্বর পর্যন্ত) করোনা পজিটিভ আছেন ৯৮৫জন। ইতোমধ্যে ৯১৮জন সুস্থ হয়েছেন। মোট মৃত্যু ১৪জন। আক্রান্তের হার ১৯.৬২%, সুস্থতার হার ৯৩.২০% এবং মৃত্যুর হার ১.৪২%। বিগত ১৪দিনের(০৩ নভেম্বর ২০২০-১৭ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত) মধ্যে ৬টি উপজেলায় (বাঘাইছড়ি, বরকল, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, লংগদু, রাজস্থলী) করোনায় আক্রান্ত হয়নি। রাঙ্গামাটি পিসিআর ল্যাবে রোগী পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৭৯০টি। তন্মধ্যে করোনা পজিটিভ এসেছে ৯৮৫ জনের।