শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভা

ধর্ষণ-যৌন নিপীড়ন মহামারী আকার ধারণ করছে

আইন প্রনয়ণ নয়, প্রয়োগেও সরকারকে কঠোর হতে হবে

৪৪

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

পাহাড় ও সমতলে নারী-শিশু ধর্ষণ-নিপীড়নের প্রতিবাদে ও বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯অক্টোবর) সকাল এগোরোটায় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ‘ধর্ষণের বিরুদ্ধে রাঙামাটি’ এই ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি অভিজিত বড়ুয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনুপম বড়ুয়া শংকর, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক তাহমিনা আক্তার, কোষাধ্যক্ষ নিউটন চাকমা, রাঙ্গামাটি শহর সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক সুজন তঞ্চঙ্গ্যা, রাঙ্গামাটি কলেজ ছাত্রফ্রন্টের সহ-সভাপতি নিপোলিয়ন চাকমা প্রমুখ।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার এর নীরবতা এবং দলের ছত্রছায়ায় ধর্ষণ ঘটনা দেশ ও সমাজকে ভাবিয়ে তুলেছে। তারা যেন ৯০এর স্বৈরশাসকের মত বেহায়া হয়ে পড়ছে। পাহাড় কিংবা সমতল কোথায়ও নারী-শিশুরা নিরাপদ নয়। বিচারহীনতার অসংস্কৃতির কারণে ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সারাদেশে নারী-শিশু, ধর্ষণ যৌন নিপীড়ন মহামারী আকার ধারণ করেছে। প্রতিবাদ করতে গেলে হামলা-মামলার শিকার হতে হচ্ছে। তাই শুধু আইন প্রনয়ণ নয়, আইন প্রয়োগেও সরকারকে কঠোর হতে হবে। নারী-শিশু ও ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচারকার্যগুলো দ্রুত শেষ করে জাতিকে অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে হবে।

পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি জেলা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপায় এসে শেষ হয়।